পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ভারতে

আরো পড়ুন

সারাবিশ্বে বড় অর্থনীতির দেশগুলোর পরররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ভারতের দিল্লিতে জড়ো হয়েছেন। উদ্দেশ্য, ভারতের সভাপতিতে জি-২০ সম্মেলনে অংশ নেয়া। এই বৈঠককে দ্বিতীয় উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রীদের বৈঠক হিসেবে উল্লেখ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। আর এ বৈঠকের আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইউক্রেন ইস্যু।

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অন্যদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেবেন। গ্লোবাল সাউথ হিসেবে পরিচিত বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর সমস্যা উত্থাপনের জন্য এ জি২০ প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে চায় দিল্লি। যদিও বিশ্লেষজ্ঞরা বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে প্ল্যাটফর্মটির সদস্যদের মধ্যে বিভেদ ভারতের কূটনীতিকে পরীক্ষায় ফেলবে।

ভারত অবশ্য এই চাপ মোকাবিলা করেই সরাসরি রাশিয়ার সমালোচনা না করে কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে জাতিসংঘের আনা নিন্দা প্রস্তাবগুলোয় ধারাবাহিকভাবে ভোটদানে বিরত থাকছে ভারত। গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিত এক ভোটাভুটিতেও ভারত ভোট দেয়নি।

এদিকে, ভারত হয়তো সরাসরি রাশিয়ার সমালোচনা করে না। কিন্তু ইউক্রেন ইস্যুতে দেওয়া বিবৃতিতে দেশটি জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইন এবং ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার গুরুত্ব সম্পর্কে কথা বলেছে।

যেমন গত শরতে উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের সম্মেলনের সাইডলাইন থেকে দেওয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিবৃতিকে রাশিয়ার পরোক্ষ সমালোচনা হিসেবে দেখা হয়। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপস্থিতিতেই ওই সম্মেলনের বৈঠকে মোদি বলেন, আজকের যুগ যুদ্ধের নয়।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহেও ভারতের বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত জি-২০ অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক থেকে সমাপনী বিবৃতি দেওয়ায় ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। কারণ ওই বিবৃতির একটি অংশে জোরালো ভাষায় ‘রাশিয়ার আগ্রাসনের’ নিন্দা জানানো হয়েছিল। রাশিয়া ও চীন ওই অংশটুকু গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ