তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত মানুষের সংখ্যা আট গুণ বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
এদিকে সোমবার ভোরে প্রথম ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় এ পর্যন্ত চার হাজারের অধিক মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইন।
প্রথম আঘাত হানার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর দ্বিতীয় শক্তিশালী কম্পন আঘাত হানে। এখন চলছে উদ্ধারকাজ। উদ্ধারকারীরা প্রচণ্ড শীত ও তুষারপাতের মধ্যে ধ্বংসস্তূপের পাহাড়ের মধ্য থেকে জীবিতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।
ডব্লিউএইচওর সিনিয়র ইমার্জেন্সি অফিসার ক্যাথরিন স্মলউড বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, আমরা সব সময় ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে একই জিনিস দেখতে পাই। দুর্ভাগ্যবশত, শুরুর দিকে হতাহতের সংখ্যা যা থাকে, পরবর্তী সপ্তাহে বেশ উল্লেখযোগ্যভাবে তা বেড়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, তুষারপাত ও তীব্র ঠান্ডার মধ্যে অনেক মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন।
উল্লেখ্য, তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় গতকাল ভোরে রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়া দুই দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। শুধু তুরস্কেই মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৯০০ জনের। এ ছাড়া সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪০০।
ভূমিকম্পে দুই দেশে কয়েক হাজার ভবন ধসে পড়েছে। এ ঘটনায় তুরস্কে এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

