চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে স্বামীকে বেঁধে রেখে তার স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত রবিন চৌধুরী সীতাকুণ্ড উপজেলার একটি ওয়ার্ডের সদস্য।
শনিবার রাত ১০টার পর নিজের পরিত্যক্ত একটি ঘরে ওই নারীকে ধর্ষণ করে তিনি। পরে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ওই নারী ও তার স্বামীকে উদ্ধার করে পুলিশ।
ধর্ষণের শিকার ওই নারীর বাড়ি নোয়াখালীতে। সীতাকুণ্ডে ভাড়া বাসায় স্বামীকে নিয়ে থাকতেন তিনি। দুইজনেই স্থানীয় একটি সুতা তৈরির কারখানায় চাকরি করেন।
ওই নারীর ভাই জানান, শনিবার রাতে অফিস শেষে রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন তার বোন ও ভগ্নিপতি। পথিমধ্যে ইউপি সদস্য রবিন চৌধুরীসহ চার থেকে পাঁচজন তাদের গতিরোধ করে। এরপর সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাদের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। এ সময় রবিন চৌধুরী মাতাল অবস্থায় ছিলেন।
পরিত্যক্ত ঘরটিতে নিয়ে যাওয়ার পর রবিন চৌধুরী ও তার সহযোগীরা ওই দম্পতিকে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে তারা ওই নারীর সোনার চেইন ও দুল নিয়ে যায়। স্বামীকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন ইউপি সদস্য রবিন চৌধুরী।
ঘটনার পর মোবাইল হাতে পেয়ে ৯৯৯-এ ফোন করেন ওই নারীর স্বামী। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
সীতাকুণ্ড থানার এসআই হারুনুর রশিদ বলেন, একটি ঝুপড়িঘর থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদ বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে টহল পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে। পরে আমিও ঘটনাস্থলে যাই। এ সময় অভিযুক্ত ইউপি সদস্য রবিন চৌধুরী ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনজনের নামে মামলা হয়েছে। এতে রবিন চৌধুরীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

