দেশের সব শুল্ক স্টেশনে চলমান ধর্মঘট আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করেছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন।
সোমবার বিকেল ৩টা থেকে দেশের সব শুল্ক ভবন ও স্টেশনে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।
সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে তাদের বৈঠক হবে। এটিকে সম্মান জানিয়ে সাময়িকভাবে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
লাইসেন্স বাতিল ও অর্থদণ্ড আরোপের অযৌক্তিক বিধি বাতিল, আইনানুগভাবে পণ্যমূল্য নির্ধারণসহ আট দফা দাবিতে দেশজুড়ে সব শুল্ক স্টেশনে সোমবার সকাল থেকে দুই দিনের ধর্মঘট পালন শুরু করেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা। চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর, বেনাপোল স্থলবন্দর, কমলাপুর আইসিডি, টেকনাফ স্থলবন্দর, ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের ৪২টি শুল্ক স্টেশনে তাদের অন্তত ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু বলেন, আমাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে এনবিআর ৭ ফেব্রুয়ারি যৌথসভা আহ্বান করে ধর্মঘট প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছে। এজন্য আমরা ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত করেছি। ৭ তারিখ এনবিআরের সঙ্গে সভায় দাবি-দাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্তের পর কর্মসূচি প্রত্যাহারের বিষয়ে জানানো হবে।
এদিকে ধর্মঘটের সমর্থনে সোমবার সকাল থেকে তারা কার্যক্রম বন্ধ রেখে কাস্টমসহ সব শুল্ক স্টেশনের সামনে বিক্ষোভ করেন। ধর্মঘটের কারণে পণ্য ছাড়ের জন্য কোনো প্রকার বিল অব এন্ট্রি দাখিল না হওয়ায় কাস্টমস হাউজে আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা বন্ধ হয়ে যায়। বন্দরের ভেতরে কনটেইনার ও পণ্য খালাস স্বাভাবিক থাকলেও বাইরে পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। তবে বিকেলের দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে থাকে।

