হলে ভাঙচুর, সংঘর্ষসহ বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৮ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭ জন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও একজন ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্মী।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের তথ্য জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটির ভার্চুয়াল সভায় মোট ১৮ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক শিরিণ আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ১৬ জনকে এক বছর, এক জনকে দেড় বছর ও একজনকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়।
বহিষ্কারকৃতদের তালিকা- শাখা ছাত্রলীগের উপ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক তাসফিয়া জাসারাত, লোকপ্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আরশিল আজিম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র শোয়েব মোহাম্মদ (আতিক), সমাজতত্ত্ব বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী হাছান মাহমুদ এবং শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র শহিদুল ইসলাম।
এছাড়াও সংস্কৃত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের অনিক দাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের তনয় কান্তি শিকদার, অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ লাবিব সাঈদ, ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের সিফাতুল ইসলাম, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের নাহিদুল ইসলাম, একই বর্ষের ইতিহাস বিভাগের মো. মোবারক হোসেন, আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জোবায়ের হোসেন। ফিন্যান্স বিভাগের স্নাতকোত্তরের আমিরুল হক চৌধুরী, ইতিহাস বিভাগের স্নাতকোত্তরের ইকরামুল হক ও দর্শন বিভাগের একই বর্ষের নয়ন দেবনাথ। বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের সাখাওয়াত হোসেন, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের মাহমুদুল হাসান, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের মোহাম্মদ ফাহিম।
জাগো/আরএইচএম

