যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেছেন, বিএনপির জন্য কঠিন বাস্তবতা হচ্ছে- শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন করে তাদের ক্ষমতায় আসতে হবে। তখন একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা যদি পায়, তাহলেই তারা সংবিধানে সংশোধন আনতে পারে। সেই পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করতে হবে। বিএনপি শেখ হাসিনার সরকারকে বিশ্বাস করুক আর না-ই করুক, সেটি তাদের ব্যাপার।
কিন্তু নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই হবে। সংবিধান এ অধিকার দিয়েছে। বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি অবান্তর।
মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর টাউন হল মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে সাতজন উপকারভোগীর মাঝে ঘরের চাবি হস্তান্তরকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বায়েজীদ ভূঁইয়ার আয়োজনে তিনি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধান করেন।
লক্ষ্মীপুরে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ, জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাইফুল হাসান পলাশ, লক্ষ্মীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ আহম্মদ পাটওয়ারী ও সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবর প্রমুখ।
আয়োজক জানিয়েছেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘দেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না’- এ কর্মসূচির উদ্যোগেই সাতজন উপকারভোগীকে নতুন ঘর করে দেওয়া হয়েছে। ১৫ আগস্ট নিহতদের স্মরণে ঘরগুলোর নাম দেয়া হয়েছে- ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি কুঞ্জ, বঙ্গমাতা শান্তি কুঞ্জ, শেখ মনি শান্তি কুঞ্জ, শেখ কামাল শান্তি কুঞ্জ, আরজু মনি শান্তি কুঞ্জ, শেখ জামাল শান্তি কুঞ্জ, শেখ রাসেল শান্তি কুঞ্জ’। এর মধ্যে সদর উপজেলায় তিনটি ও রায়পুর উপজেলায় চারটি ঘর নির্মাণ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সাত পরিবারের সদস্যদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেন অতিথিরা।

