হাজারীবাগে আ.লী-বিএনপির সংঘর্ষ

আরো পড়ুন

হাজারীবাগের টালি অফিস রোডে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীসহ দুপক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে সংঘর্ষে জড়ায় দল দুটি। বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জ্বালানি তেলসহ দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং দলের চার নেতা-কর্মীকে হত্যার প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকার ১৬টি স্থানে সমাবেশের অংশ হিসেবে আজ হাজারীবাগে এই সমাবেশ হচ্ছে।

এর আগে ধানমন্ডির শংকর বাসস্ট্যান্ডে এ সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। সেখানে সমাবেশ করতে না পেরে শিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশে এই সমাবেশ হচ্ছে।

বিএনপি’র কর্মী সমর্থকেরা লাঠি হাতে মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকেরা বাধা দেয়। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ বাঁধে। পাল্টাপাল্টি বেশ কয়েকজন কর্মীকে বেধড়ক লাঠিপেটা করতে দেখা যায়। কয়েক মিনিটের মধ্যে উভয় পক্ষ দুইদিকে সরে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। পরে টালি অফিস রোডের মোড়ে আওয়ামী লীগ যুবলীগে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সমর্থকেরা লাঠি হাতে সেখানে যাওয়া হয়। এখনো তারা সেখানে লাঠি হাতে অবস্থান করছেন। পুলিশ তাদের ব্যারিকেড দিয়ে আটকে রেখেছে।

এদিকে শিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঠিক উল্টে পাশে বেড়িবাঁধের পাশেই ছোট একটি মাঠে বিএনপির সমাবেশ চলছে। সমাবেশে বিএনপির শত শত নেতাকর্মী লাঠি ও জাতীয় পতাকা হাতে মিছিল নিয়ে জড়ো হচ্ছে। এ সময় সড়কের দুই প্রান্তে থাকা দুই দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে দুই পক্ষকেই নিভৃত রাখার চেষ্টা করছেন। পুলিশ বিএনপি’র কর্মী সমর্থকদের লাঠির সরিয়ে ফেলতে বলেছে।

এ বিষয়ে কর্তব্যরত ধানমন্ডি অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার এহসানুল ফেরদৌস উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে তো লাঠির দরকার নেই । লাঠি থাকলে শান্তি বিনষ্ট হতে পারে । সে জন্য আমরা সমাবেশে আসা লোকজনকে লাঠি সরিয়ে ফেলতে বলেছি।

জাগো/আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ