বান্দরবনের তুমব্রু সীমান্তে শনিবার সকালেও গোলাগুলির আওয়াজ শোনা গেছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আজ শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে নয়টা থেকে শুরু করে প্রায় ২০ মিনিট এ গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়।
এর আগে শুক্রবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের সীমান্তে ৫টি মর্টারশেল হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৪ জন। এ ঘটনার পর ঘুমধুম সীমান্তে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
দিল মোহাম্মদ জানান, সন্ধ্যার পর থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি, মর্টারশেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। রাত ৮টার দিকে শূন্যরেখায় বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে এসে পড়ে তিনটি মর্টারশেল। ক্যাম্পের নিকটবর্তী এলাকায় এসে পড়ে আরো দুটি মর্টারশেল।
পাঁচটি মর্টারশেল বিস্ফোরণ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে ঘটনাস্থলে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো অনেকেই।
ঘুমধুম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলম গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ি চাকমা পাড়া সীমান্তের ৩৫ নম্বর পিলারের সংলগ্ন মিয়ানমারের ১০০ গজ অভ্যন্তর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনায় আহত হয়েছে স্থানীয় অংথোয়াইং তঞ্চঙ্গা (২২) নামের এক যুবক। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ি চাকমা পাড়ার অঙ্গোথোয়াই তঞ্চঙ্গার ছেলে। মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবকের একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
স্থানীয়দের বরাতে ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলম বলেন, শুক্রবার সকালে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ি চাকমা পাড়া সীমান্তের ৩৫ নম্বর পিলার সংলগ্ন এলাকায় আকস্মিক বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমান্তে মিয়ানমারের ১০০ গজ অভ্যন্তরে এক যুবককে আহতাবস্থায় পরে থাকতে দেখেন।
জাগো/আরএইচএম

