সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মার্কিন ডলারের বিপরীতে বেশিরভাগ প্রধান মুদ্রারই দরপতন হয়েছে, বিশেষ করে পাউন্ড স্টার্লিংয়ের।
গত শুক্রবার মার্কিন ডলার এবং ইউরোর বিপরীতে ব্যাপক দরপতন হয়েছে পাউন্ডের।
ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দর নেমে গেছে গত ৩৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে এবং ইউরোর বিপরীতে হয়েছে ১৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
এদিন ইউরোর বিপরীতেও দর হারিয়েছে ব্রিটিশ মুদ্রা। পাউন্ডের বিপরীতে ইউরোর দর বেড়ে ৮৭ দশমিক ৭১ পেনি পর্যন্ত উঠেছিল, যা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির পর থেকে সর্বোচ্চ। তবে সবশেষ পাউন্ডের বিপরীতে ৮৭ দশমিক ৪৫ পেনিতে লেনদেন হচ্ছিল ইউরো।
গতকাল বিবিসির সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ১ পাউন্ডে ১ দশমিক ১৩ ডলার মিলছে। এর অর্থ হলো, বিদেশ ভ্রমণে ব্রিটিশ নাগরিকদের ব্যয়ের সক্ষমতা কমে যাওয়া। জুলাই মাসে যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়ায় ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ১ শতাংশ, যদিও আগস্ট মাসে তা ৯ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসে।
বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, মুদ্রার পতনের পেছনে মূল কারণ অর্থনৈতিক স্থবিরতা। যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা ব্যাপক মূল্যস্ফীতির কবলে পড়েছেন। সবকিছুর ওপর প্রভাব ফেলেছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি।
জাগো/আরএইচএম

