ভাদ্রে আষাঢ়ের বৃষ্টি, তবুও গরম কমছে না

আরো পড়ুন

আষাঢ়-শ্রাবণ কাটলো একরকম খরায়। ভাদ্রেও তেমন অবস্থা। বৃষ্টি আছে তো সঙ্গে থাকছে তাপপ্রবাহ। ফলে গরমের তীব্রতা কমছে না। এখনও দেশের দুই জেলার ওপর দিয়ে বইছে তাপপ্রবাহ। যদিও তা ধীরে ধীরে কমার কথা বলছে আবহাওয়া অধিদফতর। এসময়েই আবার সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে।

আবহাওয়ার এই দ্বিমুখী আচরণের পেছনে বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে দায়ী করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, বৃষ্টিপাতের পরিমান কমে যাওয়ায় তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে।

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সীতাকুণ্ডে ১১৯ মিলিমিটার। এছাড়া ঢাকায় ২২ মিলিমিটার, নিকলিতে ২৫ মিলিমিটার, রাজশাহীতে ৩৯ মিলিমিটার, তাড়াশে ৬৩ মিলিমিটার, তেঁতুলিয়ায় ৬৮ মিলিমিটার, সৈয়দপুরে ২৪ মিলিমিটার, শ্রীমঙ্গলে ৪১ মিলিমিটার, সন্দীপে ২৭ মিলিমিটার, ফেনীতে ৮০ মিলিমিটার, খেপুপাড়ায় ৩৬ মিলিমিটার ছাড়াও অন্যান্য জেলাগুলোতেও কমবেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এদিকে এই বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি দেশের যশোর ও চুয়াডাঙার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। দেশের চুয়াডাঙায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আর সর্বনিম্ন সীতাকুণ্ডে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া দেশের অন্তত পনেরোটি জেলার তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, তাপপ্রবাহ ধীরে ধীরে প্রশমিত হতে থাকবে।

আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, আগামী তিন দিন বৃষ্টিপাতের এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

অন্যদিকে মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপরে মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ