যশোরে স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালালো স্বামী

আরো পড়ুন

যশোরে স্বামীর বিরুদ্ধে তার স্ত্রী হাবিবা খাতুনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যা করে বিষয়টি আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলার বাঘারপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত গৃহবধূ হাবিবা খাতুন (২৫)।

নিহত গৃহবধূ হাবিবা উপজেলার রায়পুর গ্রামের জাতির হোসেনের মেয়ে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, হাবিবার মরদেহ হাসপাতালে ফেলে স্বামীসহ স্বজনেরা পালিয়ে গেছে।

যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে নিহতের পরিবারের লোকজনদের হাতে হস্তান্তর করে যশোর কোতয়ালী থানা পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে ।

নিহতের পিতা জাকির হোসেন জানান, ২০২০ সালে একই উপজেলার জহুরপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের সুরত আলীর ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী জনি হোসেনের সাথে হাবিবার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসারে কলহ লেগেই ছিল। জনি হোসেন বিবাহের দুই মাস পরে মালয়েশিয়া চলে যান । গত ২৭ আগষ্ট জনি কাউকে না জানিয়ে বাড়ীতে চলে আসেন । আসার মাত্র চার দিনের মাথায় আমার মেয়ে হাবিবাকে জনি ও তার পরিবারের লোকজন মেরে ফেলেছে।

হাবিবার চাচি বলেন, জনির পরকীয়া জেরে খুন হয়েছে হাবিবা খাতুন। হাবিবার স্বামী জনি হোসেনের সাথে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের এক গৃহবধূর পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে । জনি তার সব টাকা পয়সা বিদেশে থেকে ওই গৃহবধূর কাছেই পাঠাতেন। এমনকি সে হাবিবাকে না জানিয়ে মালয়েশিয়া থেকে দেশে চলে এসেছেন জনি। এরপর ওই গৃবধূর সাথে নিয়মিত সময় কাটাতে থাকেন। যা নিয়ে হাবিবা ও জনির সাথে বিরোধ চলছিলো। এরই জের ধরে হাবিবাকে খুন করেছে জনি।

এ বিষয়ে বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন, পুলিশের কাছে খবর এসেছিল হাবিবা নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। পরে স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে হাবিবার পরিবারের দাবি তাকে হত্যা করা হয়েছে

ওসি আরো বলেন, এটা হত্যা না আত্মহত্যা এখন কিছুই বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসার পরে বিস্তারিত সব জানা যাবে।

জাগো/আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ