যশোরে বঙ্গবন্ধু প্রথম বিভাগ ফুটবল লিগে রেফারির কল্যাণে জয় পেয়েছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। বৃহস্পতিবার শামস্-উল-হুদা স্টেডিয়ামে তারা ৪-২ গোলে হারিয়েছে কুহেলিকা উন্নয়ন সংঘকে।
খেলার ৮০ মিনিট অবদি হাড্ডাহাড্ডি যদ্ধে করে দুই দল। এর পর ম্যাচে শেখ রাসেলের রাইট উইঙ্গার হাসান কুহেলিকা উন্নয়ন সংঘের ডি-বক্সের মধ্যে হাত দিয়ে বল নামান। রেফারি বসির আহমেদ হ্যান্ডবলের বাঁশিও বাজান। তা সত্ত্বেও তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই বল গোলে শট করেন। ফুটবল ম্যাচ এই ধরনের অপরাধে রেফারি অভিযুক্ত খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখিয়ে সতর্ক করার বিধান থাকলেও তিনি তা করেননি।
এসময় রেফারি পকেট থেকে হলুদ কার্ড বের করেছিলেন তাকে প্রদর্শনের জন্য। কিন্তু এর আগে ২৬ মিনিটে হাসানের আরও একটি হলুদ কার্ড থাকায় তাকে মৌখিক ভাবে সতর্ক করে দেন। এক ম্যাচে কোন খেলোয়াড় দুটি হলুদ কার্ড দেখলেই সেই খেলোয়াড়কে লাল কার্ড প্রদর্শন করার বিধান রয়েছে। রেফারি তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি কুহেলিকার কর্মকর্তারা।
শুধু এই সিদ্ধান্ত নয়, পুরো ম্যাচ জুড়ে রেফারির অনেক সিদ্ধান্তে মাঠে উপস্থিত দর্শকরা হতবাক হয়েছে। এছাড়া শেখ রাসেলে প্রথম ম্যাচে লাল কার্ড দেখা খেলোয়াড় রতনকে টেকনিক্যাল স্পটে ও খেলোয়াড় টেন্টে দাঁড়িয়ে খেলোয়াড়দের দিক নির্দেশনা দিতে দেখা গেছে। চতুর্থ রেফারি আবুল বাসার তাকে একবার টেন্ট থেকে বের করেও দিয়েছিলেন। কিন্তু বিরতির সময় আবারও তাকে খেলোয়াড়দের সাথে কথা বলতে দেখা যায়। তবে এই ঘটনাগুলো বাদে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে দুই দলই দর্শনীয় কিছু গোল উপহার দিয়েছেন।
ম্যাচের ১৮ মিনিটে প্রথম গোল করে কুহেলিকার কালাম।২১ মিনিটের সময় গোল করেন শেখ রাসেলের আতিক। ম্যাচের ২৮ মিনিটে কুহেলিকার গোল করেন রাসেল।
৬৫ মিনিটে রাসেলের গোল করেন তানভির। ম্যাচের ৮২ হাসান গোল করেন। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে চতুর্থ ও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন সেই রাসেলের হাসান।

