বাজেটে পাচারের টাকা ফেরত আনার যে সুযোগ দেয়া হয়েছে তা শুধু বৈধ উপার্জনকারীদের জন্য। প্রকৃত অর্থে কালোটাকার মালিকদের এই সুযোগ দেয়া হয়নি।
রবিবার (৭ আগস্ট) সেগুনবাগিচায় রাজস্ব ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম এ কথা বলেন।
এ সময় পাচারের অর্থ ফেরত আনার সুযোগ দেয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন তিনি।
একইসঙ্গে গত অর্থবছরের রাজস্ব পরিস্থিতি এবং চলতি বছরের আদায় বাড়ানোর কার্যক্রম তুলে ধরেন তিনি। এ সময় রাজস্ব বোর্ডের সিনিয়র সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
রহমাতুল মুনিম বলেন, বাজেটে পাচারের টাকা ফেরত আনার সুযোগ দেয়া নিয়ে পত্রিকায় অনেক সমালোচনা হয়েছে। সেজন্য এর একটা ব্যাখ্যা দেয়া প্রয়োজন ছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, কেউ যদি বিদেশে টাকা জমা রাখেন বা কোনো বৈধ আয় থাকে, তবে সেই টাকা দেশে আনলে তিনি লাভবান হবেন। আমরা তাদের জন্য এ সুযোগ রেখেছি। এজন্য তাদের কোনো প্রশ্ন করা হবে না। কেউ তার আয়ের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইবে না। এই টাকা দেশে এলে অর্থনীতির মূল স্রোতে যুক্ত হবে। ফলে বিনিয়োগ বাড়বে ও রাজস্ব আদায়ে গতি বাড়বে।
তিনি বলেন, অর্থ ফেরত আনার এমন সুযোগ দিয়ে বিশ্বের অনেক দেশ ভালো ফল পেয়েছে।
এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রচারের জন্য মিডিয়াকে অনুরোধ করেন তিনি।
এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, কালোটাকার মালিকের সংখ্যা কম। যারা বৈধভাবে আয় করে তারাই বেশি।
রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (আয়কর নীতি) সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, আসলে এটাকে কালোটাকা বলা যায় না। অনেকের অপ্রদর্শিত আয় আছে। তিনি দেশের বাইরে টাকা রেখেছেন। কিন্তু কোনো কারণে রিটার্নে তা দেখাতে পারেননি। তাদের জন্য বাজেটে সুযোগ দেয়া হয়েছে।

