চেম্বার আদালতে জামিন মেলেনি হাজী সেলিমের

আরো পড়ুন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: দুদকের মামলায় ১০ বছরের কারদণ্ডপ্রাপ্ত হাজী সেলিমকে জামিন দেননি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

সোমবার এ বিষয়ে এক আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার আদালত এ আদেশ দেন। জামিনের বিষয়টি আগামী ১ আগস্ট আপিল বিভাগের পূর্নাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়।

আদালতে হাজী সেলিমের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। অপরদিকে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

এর আগে ২৪ মে সকালে দুদকের মামলায় হাইকোর্টের দণ্ড বাতিল চেয়ে লিভ টু আপিল করা হয়। সঙ্গে জামিনের আবেদন করেন তিনি।

গত রবিবার (২২ মে) দুর্নীতির মামলায় দশ বছর সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী সেলিম বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে যেকোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেন।

এদিন দুপুর ২টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালত হাজী সেলিমকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠান। কারাগারে উন্নত চিকিৎসা ও প্রথম শ্রেণির ডিভিশন চেয়ে আরও দুটি আবেদন করা হয়। জামিন না দিয়ে এরপর সাজা ভোগের জন্য তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

রবিবার বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে আদালত থেকে পিকআপ ভ্যানে তাকে নিয়ে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশে রওয়ানা হয় পুলিশ। সন্ধ্যা ৬টার দিকে কারাগারে পৌঁছান তিনি।

তবে কারাগারে এক রাত কাটিয়ে সোমবার (২৩ মে) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয় হাজী সেলিমকে। হাসপাতালের ৫১১ নম্বর কেবিনে কারারক্ষীদের প্রহরায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

এর আগে গত ২৫ এপ্রিল বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে হাইকোর্ট থেকে মামলার নথি এসে পৌঁছায়। এদিন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে রায়ের নথি পাঠানো হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান সে সময় বলেন, আইন অনুযায়ী আজ থেকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেলিমকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আর হাইকোর্টের রায়ের ফলে তার সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্যতা নেই।

২০২১ সালের ৯ মার্চ বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ হাজী সেলিমকে বিচারিক (নিম্ন) আদালতে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার রায় বহাল রাখেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সেই রায় প্রকাশ পায়।

জাগো/এমআই

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ