রৌদ্রের তাপে পুড়ছে ভারত। তাপপ্রবাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত বাসিন্দাদের। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী দুই দিনে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে। বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে বেরোনোয় সতর্ক হওয়ার বার্তা দেয়া হয়েছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘরবন্দি থাকার পরামর্শ। রাজধানীতে জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শুক্রবার দিল্লির নজফগড়ে তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছিলো ৪৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জাফরপুর আবহাওয়া স্টেশনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ধরা পড়েছিলো ৪৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মুঙ্গেশপুর আবহাওয়া স্টেশনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ধরা পড়েছে ৪৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মৌসম ভবন জানাচ্ছে, শুক্রবার থেকে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় তাপপ্রবাহ চলছে। রবিবার পর্যন্ত তা চলতে পারে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে সোমবারও তাপপ্রবাহের কবলে পড়তে পারে দিল্লি। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে দিনের বেলা বাড়ির বাইরে বেরোনোর ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। বলা হয়েছে, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে না বেরোতে। সারা দিন প্রচুর জল পানের পাশাপাশি শরীরকে ঠান্ডা রাখে, এমন খাবারের উপর জোর দিতে বলা হয়েছে।
এ বছর রাজধানী দিল্লি পঞ্চম তাপপ্রবাহের কবলে পড়লো। মার্চ মাসে একটি, এপ্রিলে তিনটি এবং মে মাসে এখনো পর্যন্ত একটি তাপপ্রবাহ চলছে।
আবহবিদরা বলেন, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকলে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে সাড়ে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হলে, সেই পরিস্থিতিকে তাপপ্রবাহ বলা হয়ে থাকে। গত দুই মাসে রাজধানী দিল্লিতে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটা কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা ভূপৃষ্ঠের জলের স্তরকে আরো তলে টেনে নামিয়েছে। রাজধানীর বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জলের আকাল প্রবল আকার ধারণ করেছে। ট্যাঙ্কে করে জল সরবরাহ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে প্রশাসন।

