শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার কন্যাদাহ বাওড় নিয়ে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের ভয়ভীত দেখিয়ে দূরে সরিয়ে রেখে প্রভাবশালীরা বাওড় পরিচালনা করছেন।
ইফাদ বাংলাদেশ লিমিটেডের সাথে ৫০ বছরের চুক্তি থাকলেও মেয়াদোর্ত্তীণের আগে চুক্তি বাতিল করে দেয় ভূমি মন্ত্রণালয়। এরপর জেলা প্রশাসন টেন্ডার আহ্বান করলে মৎস্যজীবীরা উচ্চ আদালতে মামলা করেন। ওই মামলার কারণে বাওড়ে মাছ ধরা বন্ধ থাকার নির্দেশনা রয়েছে। তবে এই নির্দেশনার কারণে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা বাওড় থেকে মাছ ধরতে না পারলেও বসে নেই প্রভাবশালীরা। তারা প্রায় সময় মাছ ধরে বিক্রি করে দিচ্ছেন।
স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, উচ্চ আদালতে তারা একটি মামলা করেন। তবে এখানকার প্রভাবশালী সাবেক এক জনপ্রতিনিধি ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মাছ আহরণ করে চলেছেন। আর তারা বঞ্চিত হচ্ছে মৎস্য শিকার থেকে। সনাতন ধর্মের অধিকাংশ মানুষ এই মাছ ধরা পেশার সাথে জড়িত। মাছ ধরতে না পেরে তারা অসহায়ভাবে মানবতার জীবনযাপন করছেন। এছাড়া ওই অত্যাচারী বাহিনীর নির্যাতনে অনেকে ভারতও চলে গেছেন।
এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসান বলেন, ভূমি মন্ত্রনালয়ের সাথে মৎস্য অধিদপ্তরের ৫০ বছরের চুক্তি ছিল। ভূমি মন্ত্রনালয়ের সাথে মৎস্য অধিদপ্তরের আর চুক্তি না হওয়ায় ইফাদ বাংলাদেশ লিমিটেডের সাথে আর কোন চুক্তি মৎস্য অধিদপ্তরের হয়নি। ওখানকার সুফলভোগীরা উচ্চ আদালতে একটি মামলা করেছেন বলে জেনেছি। আমাদের সাথে বর্তমানে ওই বাওড়ের কোন সর্ম্পক্ততা নেই।
এ ব্যাপারে উলাশী ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় একটি মহল নেতাকর্মীদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন বাওড়টি দখল করে আছে। তবে উপজেলা মৎস্য অফিসারের সাথে কয়েক দফায় আলাপ হয়েছে দ্রুত এটি যাদের প্রাপ্য তারা উপার্জন করে জীবিকা নির্বাহ করুক।
নয়ন হোসেন/এমআই

