গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন কাকন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবদল নেতা। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার একটি আঙুল শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং দুই পা গুরুতর জখম হয়েছে। বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাত ৯টার দিকে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের জুনদহ বাজার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত কাকন মিয়া ওই ইউনিয়নের দূর্বলাগাড়ী গ্রামের মিরু মণ্ডলের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং বরিশাল ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে জুনদহ বাজারে অবস্থানকালে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে কাকনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তিনি হাত দিয়ে আক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টা করলে তার ডান হাতের কবজি কেটে যায় এবং একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এছাড়াও হামলাকারীরা তার দুই পায়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আহত কাকনকে প্রথমে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পলাশবাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ জানান:
> “হামলায় কাকনের দুই পা মারাত্মকভাবে জখম ও ভেঙে গেছে। তার হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় অবস্থা বর্তমানে বেশ সংকটময়।”
>
হামলার কারণ ও এর সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান বলেন,
> “দুর্বৃত্তদের হামলায় এক যুবক মারাত্মক জখম হওয়ার খবর পেয়ে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। হামলাকারীদের পরিচয় নির্ণয় ও তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

