আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ২৫ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভায় আগামী ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশের দিন রাজপথ দখলে রাখতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আক্রমণ হলে পাল্টা আক্রমণ হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমরা আক্রমণ করবো না। এই বার সতর্ক পাহারায় আছি। আক্রমণ করলে পাল্টা আক্রমণ হবে। কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।”
তিনি বলেন, “বিএনপির মুখে মধু অন্তরে বিষ। এরা বিশ্বাসঘাতক। এই দলকে বিশ্বাস করা যায় না। প্রয়োজনে সতর্ক পাহারায় থাকতে হবে।”
ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বক্তব্যের জবাবে বলেন, গয়েশ্বর বলেছে, অনুমতি না দিলে অলিগলি দখল করবে। অলিগলি দখল করলে নাকি সব দরজা খুলে যাবে গয়েশ্বর বাবুকে স্বাগত জানাতে। মনে নাই, আপনি কোরাল মাছের ঝোল খেয়ে আসছেন? এবার আপনার কপাল খারাপ। আমরা আঁটঘাট বেধে নেমেছি। অলিগলিতেও পালাবার পথ পাবেন না।”
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “দুর্নীবাজ সাম্প্রদায়িক অপশক্তির অস্তিত্ব বাংলার মাটি থেকে মুছে ফেলতে হবে।”
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান তরুণ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি প্রমুখ।

