দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সম্ভব্য ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এটি এখনও গভীর নিম্নচাপ হিসেবেই রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
বুধবার (১০ মে) রাতে আবহাওয়া অধিদফতরের চার নং বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরো উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (৯.৯° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৪° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি বুধবার (১০ মে) সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৪২০ কি.মি. দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৪০ কি.মি. দক্ষিণে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৪০০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৬০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে অবস্থান করছিল।
তিনি আরো জানান, এটি আরো ঘনীভূত হয়ে ১১ মে ২০২৩ তারিখ পর্যন্ত উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে এবং পরবর্তীতে দিক পরিবর্তন করে ক্রমান্বয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।
এদিকে গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
এছাড়াও চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সাথে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

