যশোরের ঝিকরগাছা গদখালী ফুলের রাজ্যে এবার লাল, সবুজ ও হলুদ রঙের ক্যাপসিকাম চাষ করে সাড়া ফেলেছেন মনজুর আলম। এক বিঘা জমিতে তিন রঙের ক্যাপসিকাম চাষ করে সব খরচ-খরচা বাদ দিয়ে চলতি বছরে ১৫ লাখ টাকা লাভের আশা তার।
উপজেলার পটুয়াপাড়া গ্রামের সামছদ্দীন মোড়লের ছেলে কৃষক মনজুর আলম ভারত থেকে নেদারল্যান্ডসের বাচেতা জাতের বীজ আনেন। সেই বীজ থেকে নিজেই চারা উৎপাদন করে এক বিঘা জমিতে এই চারা রোপণ করেন। তবে এক বিঘা জমিতে বীজ, চারা উৎপাদন এবং পলিথিনের ছাওনি (শেড) তৈরি করে ক্যাপসিকাম চাষ করতে তার খরচ হয়েছে দেড় টাকা। তবে এক বিঘা জমির প্রায় শতভাগ গাছেই ক্যাপসিকাম ধরেছে। একটি ক্যাপসিকাম ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজন হয়েছে।
মনজুর আলম বলেন, চলতি বছরে সকল খরচ বাদ দিয়ে কিছু না হলেও ১৫ লাখ টাকা লাভ থাকবে বলে আশা করছি। তবে ইতোমধ্যে সাড়ে তিন লাখ টাকার মতো ক্যাপসিকাম বিক্রি করেছি। বাজারেও ক্যাপসিকামে দাম ভালো। প্রতিকেজি ক্যাপসিকাম ২৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, গত নভেম্বরের শেষের দিকে তিনি সি-ট্রেতে চারা বানাতে বীজ ফেলি। চারার বয়স ২৬ দিন হলে তা খেতে রোপণ করেছি। গাছের বয়স ৫৫ দিন হলে ফলন শুরু হয়। খেতে তিন ধরনের ক্যাপসিকাম রয়েছে। একটি লাল, সবুজ অন্যটি হলুদ রঙের।
এই বিষয়ে ঝিকরগাছা উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, ফুলের পর গদখালীতে এভাবে ক্যাপসিকাম চাষে সাফল্য। মনজুর আলম কয়েকবার বৈদেশিক জাতের এই ক্যাপসিকাম চাষে ভালো লাভবান হয়েছে। তাকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

