এমন কিছু করবেন না যাতে মানুষ কষ্ট পায় বা মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কারণ বিশ্বব্যাপী এখন খাদ্যের অভাব। এ জন্য আমরা উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।
রবিবার (২০ নভেম্বর) দেশের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, অনেক দেশ নিজেরাই অর্থনৈতিক মন্দা ঘোষণা দিয়ে গেছে। এখনো আমি বলতে পারি, বাংলাদেশ অন্তত অত খারাপ অবস্থায় নেই। কিন্তু আমাদের এখানে যারা শিল্পপতি আছেন, তাদের অনুরোধ করবো ইন্ডাস্ট্রি চালিয়ে অন্তত নিজের দেশের মানুষের চাহিদা পূরণের প্রচেষ্টা আপনারা নেবেন। কারণ আপনাদের জন্য অনেক সুযোগ-সুবিধা আওয়ামী লীগ সরকার করে দিয়েছে।
সকালে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) আওতাধীন ৫০টি শিল্প ও অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আর হাওয়া ভবন নেই যে আপনাদের কোনো কাজ পেতে হলে হাওয়া ভবনে পাওনা বুঝাতে হয় বা এখানে-ওখানে ছোটাছুটি করতে হয়। আমরা সব ধরনের নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে দেশকে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করবেন। ব্যবসার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা, সেটা কিন্তু আমরা করে দিচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, আপনারা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন। মানুষের কল্যাণে যত বেশি কাজ করবেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে আপনাদের সহযোগিতা করবো।
করোনা মহামারির যে অর্থনৈতিক অভিঘাত সারাবিশ্বে পড়েছে বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয় মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তত আমাদের অর্থনীতির গতিশীলতা যাতে অব্যাহত থাকে সে ব্যবস্থা আমি নিচ্ছি। এর ওপর এলো মরার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ এবং নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞা। নিষেধাজ্ঞার ফলে আমাদের ক্রয় করার সুযোগ অনেক কমে গেছে। আমরা যেসব জিনিস বাইরে থেকে আমদানি করি, সেগুলোর দাম অতিরিক্ত বেড়ে গেছে। পরিবহন খরচ আরো বেড়ে গেছে।

