ঝিনাইদহে দুই সোনা চোরাকারবারিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল জজ আদালতের বিচারক নাজিমুদ্দৌলা এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার দৌলতগঞ্জ দোয়ারপাড়া গ্রামের শ্রী ষষ্টি কর্মকারের ছেলে সুনীল কর্মকার ও জীবননগর এলাকার মৃত ফয়জুল্লাহ মোল্লাহর ছেলে ওবাইদুল্লাহ।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৪ মার্চ ঢাকা হতে দর্শনাগামী জে আর পরিবহনের স্পেশাল সুপার সেলুন কোচে আসামিরা যাতায়াতের সময় কোটচাঁদপুর থানা পুলিশ গাড়িটি তল্লাশি করে। এসময় আসামিদের কাছ ১টি সোনার বার, ৮ টি সোনার পাত, ১ সোনার লকেট, ৩ টি সোনার চেইন, ১ জোড়া কানের দুল ও একটি সোনার আংটি উদ্ধার করে। যার ওজন ১ কেজি একশত ৫০ গ্রাম। সোনার চোরাচালান ব্যবসার সাথে জড়িত থাকায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে এসআই আশিকুর রহমান বাদী হয়ে দুই জনের নামে মামলা দায়ের করেন। রায়ের পর মামলায় জব্দকৃত সোনা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ইসমাইল হোসেন বাদশা বলেন, আসামিরা চোরাচালানের সাথে যুক্ত সেটা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদেরকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। আসামিদের এমন সাজা হওয়ায় অন্যকেউ চোরাচালানের মত অপরাধ করতে বিরত থাকবে।

