শার্শা প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণে মাদক ব্যবসায়ীদের দা ও ছুরিকাঘাতে মফিজুর রহমান নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শষ্যা বিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত মফিজুর রহমান শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের মৃত গোলাম নবীর পুত্র। এ ঘটনায় শার্শা থানা বিএনপির আহবায়কসহ ৩ জনকে আটক করছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে শার্শার নাভারণের স্বর্ণ পট্টিতে মফিজুর রহমান ব্যক্তিগত কাজে যায়। এ সময় একই গ্রামের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও বিএনপির তৃপ্তি গ্রুপের কর্মী মন্টু, রবি ও মাছুমসহ ৪/৫ জন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হাসান জহির গ্রুপের মফিজুর রহমানের উপর রাম দা ও ধারালো ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে।
স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা (বুরুজবাগান) স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে আহত মফিজুর রহমানের অবস্থার অবনতি হলে স্বজনেরা যশোর ২৫০ শষ্যা বিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। এ ঘটনার জের ধরে সঙ্গে সঙ্গে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাতের আধারে গ্রামের বিভিন্ন স্থানসহ হাসপাতালের সামনে ১০/১২টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটনো হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই গ্রামে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় শার্শা থানা বিএনপির আহবায়ক খায়রুজ্জামান মধু, আহবায়ক কমিটির সদস্য আশরাফুল ইসলাম বাবু ও রবিউল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান জানান, বোমাবাজির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। আহত ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিএনপির তিন নেতাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্যদের আটকে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

