নিজস্ব প্রতিবেদক: ৬ থেকে ৭ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে যশোরের কয়েকটা গ্রাম লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। আজ শনিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ৬টার ঝড়ে সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের ভাগলপুর, মিরা লাউখালী, রসুলপুর, নাটুয়াপাড়া, বারীনগর বাজার, জোড়াদাহ হৈবতপুর, মথুরাপুরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা বাড়ি ঘর, আধাপাকা ঘর, টিনসেট, বড় বড় গাছ, বৈদ্যুতিক খুটি উপড়ে পড়েছে। এছাড়াও মাঠের সবজি ও ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এলাকার প্রবীনদের ভাষ্যমতে, তাদের দেখা জীবনে সব চেয়ে বড় ঝড় এটি। আর এই ঝড়ে চিরচেনা গ্রাম গুলো সবই অচেনা মনে হচ্ছে। চারিদিকে শুধু ধ্বংস স্তুপে পরিনত হয়েছে।
ভাগলপুর গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মকছেদ আলী জানান, আমাদের গ্রাম সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। গাছপালাসহ বাড়ি ঘর ও বিদ্যুৎতের খুটি উপড়ে পড়েছে। শাক-সবজি ও ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

একই গ্রামের ইউনুচ আলী জানান, জীবনে এমন গতির ঝড় দেখিনি। চোখের সামনে বড় বড় গাছপালা ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে গেছে ঝড়ে।
হৈবতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবু সিদ্দিক বলেন, আমার ইউনিয়নের ১০/১৩ টি গ্রাম লন্ডভন্ড করে দিয়েছে এই ঝড়ে। তিনি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন অসহায় কৃষক ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে। তিনি আরও বলেন, যেভাবে বৈদ্যুতিক তার ও পোল উপড়ে গেছে তাতে কবে নাগাদ বিদ্যুৎ পাবে এখনকার লোক তা এখনো বলা মুসকিল।
যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ দাশ বলেন, শনিবারের হঠাৎ ঝড়ে উপজেলার বেশ কিছু জায়গায় ক্ষতি হয়েছে। আমরা বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে আছি।
জাগো/এমআই

