যশোরের মুজিব সড়কে ক্রেতাকে হত্যার হুমকির অভিযোগ, পুলিশের হস্তক্ষেপে সমঝোতা

আরো পড়ুন

যশোর শহরের মুজিব সড়কে এক ক্রেতাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি পোশাকের দোকানের মালিক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বাকবিতণ্ডা একপর্যায়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে দোকান মালিক ও সংশ্লিষ্টদের থানায় নিয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রোববার বিকেলে মুজিব সড়কের ‘পাঞ্জাবি কর্নার’ নামের একটি পোশাকের দোকানে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা মুশফিক তার স্ত্রী ও শ্যালক ফাহিমকে নিয়ে কেনাকাটা করতে যান। এ সময় দোকানে দুটি পায়জামার দাম চাওয়া হয় ১ হাজার ৩০০ টাকা। দর-কষাকষির একপর্যায়ে মুশফিক ৭০০ টাকা প্রস্তাব করলে আলোচনা শেষে ৭৫০ টাকায় লেনদেন চূড়ান্ত হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মুশফিক ৮০০ টাকা দিলে দোকান মালিক আব্দুর রহমানের ছেলে উজ্জ্বল পুরো টাকাটিই রেখে দেন। বাকি টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে দোকান মালিক আব্দুর রহমান, তার ছেলে উজ্জ্বল এবং দোকানের কর্মচারীদের সঙ্গে মুশফিকের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

মুশফিকের দাবি, তিনি টাকা ফেরত চাইলে দোকান মালিকের ছেলে ও কর্মচারীরা তাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা প্রকাশ্যে তাকে হত্যার হুমকি দেন এবং তার স্ত্রীকেও লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে বিষয়টি নিয়ে তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করার কথা বললে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তিনি পুলিশের সহায়তা চান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে থানায় নিয়ে আসে।

এদিকে আশপাশের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পাঞ্জাবি কর্নারের মালিক ও কর্মচারীদের ব্যবহার আগেও খারাপ ছিল। তারা শুধু ক্রেতাদের সঙ্গেই নয়, পাশের দোকানদারদের সঙ্গেও প্রায়ই অশোভন আচরণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, পুলিশ উভয় পক্ষকে থানায় নিয়ে আসে। পরে ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। শেষ পর্যন্ত তারা পারস্পরিক সমঝোতায় পৌঁছায় এবং কেউ কারও বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেননি। বিকেলের মধ্যেই বিষয়টির মীমাংসা হয়ে যায়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ