যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দোহাকুলা গ্রামে জমি দখল, ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং হামলার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী নারী গোলাপী খাতুন। সোমবার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ঘটনার বিবরণ: সংবাদ সম্মেলনে গোলাপী খাতুন জানান, দোহাকুলা মৌজায় মোট ১০.৫০ শতক জমি তিনি দুই দফায় বৈধভাবে ক্রয় করেন (দাগ নং ৭৭৫, খতিয়ান নং ১৩৩৩)। জমি ক্রয়ের পর থেকেই স্থানীয় তারেক (৩২), মিঠু (৪৫), লিটন (৪০), জিহাদ (১৯), তরিকুল (৪৬) ও সোহাগসহ (৩২) আরও কয়েকজন জমিটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
চাঁদা দাবি ও হামলা: ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করলে ২৫ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তরা বাধা দেয় এবং নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট করে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরবর্তীতে ৭ মার্চ সকালে পুনরায় চাঁদা দাবি করা হয় এবং টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে গোলাপী খাতুনের ভাই মো. লিটন ও মা লালভানুকে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। তারা বর্তমানে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিরাপত্তাহীনতা ও প্রশাসনের ভূমিকা: গোলাপী খাতুন আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় তার ব্যাগ থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। থানায় অভিযোগ দিলেও তা এখনো মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়নি, যার ফলে অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পিতা নুরুল ইসলাম, ভাই লিটন, মা লালভানু এবং তার দুই মেয়ে উপস্থিত ছিলেন। পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং এই বিষয়ে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
যশোরে জমি দখল ও চাঁদা দাবির অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলনে গোলাপী খাতুনের আকুতি

