বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রথম দাপ্তরিক কাজ শুরু করছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এক ঐতিহাসিক শপথ অনুষ্ঠানের পর আজ সচিবালয়ে তাঁর প্রথম অফিস ঘিরে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও কঠোর নিরাপত্তা।
সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দ্বিতীয় তলায় প্রধানমন্ত্রীর জন্য ২০১ নম্বর কক্ষটি বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁর দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে পাশেই অবস্থিত ২০০ নম্বর কক্ষটিকে রূপান্তর করা হয়েছে সভাকক্ষে। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত পছন্দ ও প্রসাধনসামগ্রীর বর্ণনা অনুযায়ী সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের আগেই এই কক্ষগুলো সংস্কার ও সাজসজ্জার কাজ শেষ করা হয়।
আজ প্রধানমন্ত্রীর কর্মপরিকল্পনা
নতুন প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কার্যদিবস সাজানো হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি দিয়ে:
* সকাল ১০:০০টা: সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।
* দুপুর ১২:৩০টা: সচিবালয়ে আগমন এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজ দপ্তরে আসন গ্রহণ। এরপর কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময়।
* দুপুর ১:৩০টা: সচিবালয়ে মধ্যাহ্নভোজ।
* বিকেল ৩:০০টা: মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক।
* বিকেল ৪:০০টা: সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে
নির্বাচনী গেজেট প্রকাশের পর থেকেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে কর্মতৎপরতা তুঙ্গে। সচিবালয়ের ২০ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবনের লিফট থেকে শুরু করে প্রতিটি ফ্লোরে কর্মকর্তাদের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। প্রথা ভেঙে এবারই প্রথম সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় খোলা আকাশের নিচে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজিত হওয়ায় এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গত কয়েকদিন নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
নতুন প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সচিবালয় ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। দর্শনার্থী প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

