ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৪ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক ও বেসরকারি ফলাফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন। এই আসনের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীকে (ধানের শীষ প্রতীক) বড় ব্যবধানে পেছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের চিত্র (বেসরকারি)
এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ১০টি কেন্দ্রের ভোটের সংখ্যা নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
| কেন্দ্রের নাম | দাঁড়িপাল্লা (জামায়াত) | ধানের শীষ (বিএনপি) | ব্যবধান |
|—|—|—|—|
| বসুন্দিয়া | ১৫৮০ | ৮১৬ | ৭৬৪ |
| জয়পুর | ১১৪৮ | ৭৫৮ | ৩৯০ |
| বাগডাংগা | ২১০৯ | ৬৬৭ | ১৪৪২ |
| কয়ালখালী (১৮ নং কেন্দ্র) | ৯৮৩ | ৩২৬ | ৬৫৭ |
| পাঠান পাইকপাড়া | ১৫৪৩ | ৬৬৭ | ৮৭৬ |
| কৃষ্ণনগর (১৭ নং কেন্দ্র) | ১৪২০ | ৬১৮ | ৮০২ |
| খলশী | ১৭৮২ | ৫৭৬ | ১২০৬ |
| সিলুমপুর | ১৭৪৩ | ৯৯৮ | ৭৪৫ |
| মহিরন | ৮৫১ | ১৩৩ | ৭১৮ |
| জঙ্গল বাধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় | ১৫৮০ | ৮১৬ | ৭৬৪ |
ফলাফল বিশ্লেষণ
প্রাপ্ত ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, বাগডাংগা কেন্দ্রে জামায়াত প্রার্থী সবচেয়ে বড় ব্যবধানে (১৪৪২ ভোট) জয়ী হয়েছেন। এছাড়া খলশী এবং পাঠান পাইকপাড়া কেন্দ্রেও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা ধানের শীষের চেয়ে অনেক বেশি জনসমর্থন পেয়েছেন। অন্যদিকে, মহিরন কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থী মাত্র ১৩৩টি ভোট পেয়েছেন, যেখানে জামায়াত পেয়েছে ৮৫১ ভোট।
বসুন্দিয়া এবং জঙ্গল বাধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়—এই দুই কেন্দ্রের ভোটের চিত্র হুবহু একই (১৫৮০ বনাম ৮১৬), যা নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাছে বেসরকারিভাবে রিপোর্ট করা হয়েছে।
উপসংহার
প্রাথমিক এই ফলাফলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নিরঙ্কুশ আধিপত্য দেখা গেলেও পুরো আসনের চিত্র পেতে এখনো অনেক কেন্দ্রের ফলাফল বাকি রয়েছে। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষিত না হওয়া পর্যন্ত এসব তথ্যকে বেসরকারি হিসেবে গণ্য করতে হবে।
> বি.দ্র. চূড়ান্ত ও সরকারি ফলাফলের জন্য উপজেলা ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষণার ওপর নির্ভর করুন।
যশোর-৪ আসনে জামায়াতের শক্তিশালী অবস্থান: কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে ‘দাঁড়িপাল্লা’র বড় ব্যবধান

