৩ জানুয়ারি থেকে সশস্ত্র বাহিনী নামছে ভোটের মাঠে

আরো পড়ুন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তা নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩০০টি নির্বাচনি এলাকায় সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত থাকবে।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের পক্ষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এইচ এম মাসীহুর রহমান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিবকে এক চিঠিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের জন্য ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে আওতায় সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত থাকবে।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং সুবিধাজনক স্থানে নিয়োজিত থাকবে। রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে জেলা/উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে। সশস্ত্র বাহিনীর টিমের সঙ্গে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে।

বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে চাহিদা মতো আইনি অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদন করা হবে।

ভোটগ্রহণের দিন, তার আগে ও পরে কার্যক্রম গ্রহণ ও মোতায়েনের সময়কালসহ বিস্তারিত পরিকল্পনা শিগগিরই অবহিত করা হবে। নির্বাচনের কয়েকদিন আগে থেকে নির্বাচনি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামো এবং নির্বাচনি পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার নিমিত্তে অগ্রগামী/রেকীদল পাঠানো যাবে।

২৯ ডিসেম্বর থেকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে একটি সমন্বয় সেল পরিচালনা করা হবে। এছাড়াও বাহিনীগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় সেল স্থাপন ও পরিচালনা করবে।

সশস্ত্র বাহিনীর নিয়োজনের উদ্দেশ্য

সশস্ত্র বাহিনীর নিয়োজনের উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনি এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ভোটগ্রহণের দিন ভোটারদের ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা, ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা প্রতিরোধ করা এবং ভোটের ফলাফল সুষ্ঠুভাবে প্রকাশ করা।

সশস্ত্র বাহিনীর নিয়োজনের ফলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাগো/আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ