সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা

আরো পড়ুন

৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কে সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বিধান রয়েছে।

সংবিধানের ৬৬(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নাগরিক এবং বয়স ২৫ বছর হলে যেকোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য। তবে দেশের কোনো আদালত কর্তৃক ওই ব্যক্তিকে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল বলে ঘোষণা করা না হলে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য নয় যদি সে-

  • কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত না থাকে;
  • কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন না পায় বা স্বতন্ত্র প্রার্থী না হয়;
  • নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধের দায়ে দুই বছরের কারাদণ্ডের পর মুক্তি পাওয়ার পাঁচ বছর পার না হয়;
  • বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করলে বা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার বা ঘোষণা করলে;
  • সরকারের কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে;
  • যেকোনো কারণে কোনো আসনে তার নির্বাচন অবৈধ বলে ঘোষিত হলে এবং এই ঘোষণার পর পাঁচ বছর পার না হলে;
  • দুর্নীতির কারণে কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত হলে এবং ওই ঘটনার পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হলে;
  • সরকারি কর্তৃপক্ষ বা প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসরের পর তিন বছর পার না হলে;
  • সরকারের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্কে জড়িত থাকলে;
  • বিদেশি কোন রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান বা তহবিল গ্রহণ করে-এমন কোন বেসরকারি সংস্থার কার্যনির্বাহী পদে কর্মরত থাকলে;
  • এমন কোন কোম্পানি বা ফার্মের অংশীদার হলে- যারা ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ বা কিস্তি দিতে ব্যর্থ হলে;
  • ব্যক্তিগতভাবে টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা সরকারের সেবাদানকারী কোন সংস্থানের কোনো বিল মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে সাত দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে।**

প্রার্থী হিসেবে যোগ্য হলে পরবর্তী ধাপ হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। মনোনয়নপত্রে প্রার্থীর নাম, ঠিকানা, বৈবাহিক অবস্থা, জন্মতারিখ, ভোটার নম্বর, ভোটার তালিকায় ক্রমিক নম্বর, ভোটার এলাকার নাম, উপজেলা, জেলার তথ্য দিতে হবে। মনোনয়নপত্রে আরও যেসব তথ্য দিতে হবে-

  • প্রার্থীর পক্ষে প্রস্তাবকের নাম ও ভোটার নম্বর, সমর্থকের নাম ও ভোটার নম্বর, প্রস্তাবক ও সমর্থকের স্বাক্ষর;
  • মনোনয়নপত্রের সাথে দেওয়া হলফনামার মধ্যে প্রার্থী নিজের এবং তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের আয়ের উৎস ও দায়ের বিস্তারিত তথ্য, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিবরণ দিতে হবে;
  • হলফনামার মধ্যে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সে সম্পর্কিত নথি, বর্তমানে বা অতীতে কোন ফৌজদারি মামলা থাকলে সে সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যও দিতে হবে;
  • নির্বাচনে যে অর্থ ব্যয় করবেন, তার উৎসের বিবরণ, নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও ব্যাংকের নাম, আয়করের তথ্য, সম্পদ ও দায় এবং বাৎসরিক আয় ও ব্যয়ের হিসাব, সম্পদের বিবরণী সম্বলিত রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ কপি সংযুক্ত করতে হবে;
  • যে রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পাবেন সেই দলের মনোনয়নের কপি সংযুক্ত করে জমা দিতে হবে;
  • স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ১৯৭২ এর ১২ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দলিলাদি সং

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ