রোজার আগেই অস্থির খেজুর বাজার: ক্রেতাদের অসন্তোষ, বিক্রেতাদের অভিযোগ

আরো পড়ুন

রমজানের মাসখানেক আগেই খেজুরের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ডলার সংকট, বুকিং রেট ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দাম বেড়েছে বলে দাবি বিক্রেতাদের।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে:

  • গত বছর যে আজওয়া, মরিয়ম খেজুর ৫০০-৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, তা এখন দেড় হাজার টাকার বেশি।
  • ক্রেতাদের অভিযোগ, দাম বেশি হওয়ায় তারা কম খেজুর কিনছেন।
  • বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তাদের খুচরা বাজারেও দাম বাড়াতে হচ্ছে।
  • পাইকারি বাজারের দাবি, আমদানি ডলারের দাম বৃদ্ধি ও এলসি জটিলতায় খেজুরের দাম বেড়েছে।

সূত্র জানায়:

  • ২০২১-২২ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ৮৮ হাজার ৯৬১ টন খেজুর আমদানি করা হয়েছিল।
  • ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা কমে ৮৪ হাজার ১৫১ টনে নেমে এসেছে।

একজন আমদানিকারক বলছেন:

  • খেজুর আমদানি কমার কারণ হল:
    • শুল্কায়নে কড়াকড়ি আরোপ
    • ডলারের দাম বৃদ্ধি
    • বুকিং রেট বৃদ্ধি
    • ফ্রেইট বৃদ্ধি
    • রেফার কনটেইনারে খরচ বৃদ্ধি
    • মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি

বাজারে বর্তমানে জাত ও আকার ভেদে খেজুরের খুচরা দাম ৩৫০ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত।

এই অবস্থায় রমজান মাসে খেজুরের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সমাধানের জন্য:

  • সরকারের পক্ষ থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
  • খেজুর আমদানিতে শুল্ক কমানোর দাবি জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
  • বিক্রেতাদেরও ন্যায্য মূল্যে খেজুর বিক্রি করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আশা করা যায়, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রমজান মাসে খেজুরের বাজার স্থিতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায্য মূল্যে খেজুর কিনতে পারবে।

জাগো/আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ