যশোরে সরস্বতী পূজায় শিশুদের হাতেখড়ি

আরো পড়ুন

নিজস্ব প্রতিবেদক 
সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্র মতে, সরস্বতী পুজোর দিন বিদ্যারম্ভের জন্য শ্রেষ্ঠ। সনাতন ধর্মীয় বাঙালি সমাজে হাতেখড়ির মাধ্যমে বিদ্যারম্ভের সূচনা করা হয়। এদিন পুজোর পর মা, বাবা অথবা পুরোহিত শিশুর হাত ধরে স্লেটে ‘অ, আ, ক, খ’ লিখিয়ে অক্ষর পরিচয় করান। এই হাতেখড়ির প্রথার শিক্ষার জগতে প্রবেশ করে সেই শিশু। এমনই প্রথায় যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রমে হাতেখড়ি দিল আড়াই বছরের শিশু শ্রেয়া। মা- বাবাকে পাশে বসিয়ে পাশে বসিয়ে শ্রেয়াকে কাঠের স্লেটে খড়িমাটি (চক) দিয়ে ‘ওঁ ঐং সরস্বত্যৈ নমঃ’ লিখে বিদ্যারম্ভের সূচনা করে দিলেন আশ্রমের সহসম্পাদক স্বামী আত্মবিভানন্দ মহারাজ। শ্রেয়াসহ প্রায় ১৫জন শিশু আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষাজীবন শুরু করলো এদিন।

Jashore puja pic 214.02.24
এদিকে বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে ধর্মীয় নানা আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতী পূজা। সনাতন ধর্মবিশ্বাসীদের বাসাবাড়িসহ সারাদেশের সাথে যশোরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, সরকারি সিটি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, ডা. আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ, যশোর জিলা স্কুল, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সম্মিলনী ইনস্টিটিউশন, জেলা আইনজীবী ভবন, যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিমন, বেজপাড়া পূজা মন্দিরসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এসব স্থানে সনাতনী শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে শ্রীপঞ্চমীর দিন সকালেই সরস্বতী পূজা সম্পন্ন হয়েছে।
যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজে সরস্বতীয় পুজোয় ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এসময় কলেজ শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খালেদা খাতুন রেখা, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজুল হোসেন, যশোর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক শোয়াইব হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারায়ন চন্দ্র দেবনাথ প্রমুখ।

জাগো/জেএইচ 

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ