বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি: রমজানকে কেন্দ্র করে অস্বস্তিতে ক্রেতারা

আরো পড়ুন

রমজান মাস সামনে রেখে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বরিশাল ও বগুড়া থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পিঁয়াজ, ডাল, চিনি, সয়াবিন, মাছ-মাংসসহ প্রায় সব পণ্যের দামই বেড়েছে। এতে হতাশ ও অস্বস্তিতে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

দাম:

  • পিঁয়াজের দাম কেজিতে ৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকায় পৌঁছেছে।
  • মসুর ডাল ১১০ টাকা, খেসারি ডাল ১১০ টাকা, ছোলা বুট ১০০ টাকা, রসুন ২০০ টাকা, আদা ২২০ টাকা, এলসি চিনি ১৪৫ টাকা, মুগ ডাল ১৬০ টাকা, চিড়া ৭০ টাকা, আখের গুড় ১২০ টাকা এবং সয়াবিন প্রতি লিটার ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
  • ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি আড়াই শ’ টাকা এবং গরুর মাংস সাড়ে ৭শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
  • চিংড়ি ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, পোয়া মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০, বেলে মাছ ৬০০ থেকে ৮০০, দেশীয় রুই-কাতলা ৪০০, নদীর পাঙ্গাস ৮০০ থেকে ৮৫০, কোরাল ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
  • পোর্ট রোড বাজারে ১ কেজি সাইজের একটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকায়।

বগুড়ায়:

  • খেজুরের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
  • তিউনেশিয়ার খেজুর প্রতি কেজি ৪৪০ টাকা, মাশরুপ খেজুর ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকা, দাবাস খেজুর ৪০০ টাকা, ফরিদা খেজুর ৪৪০ টাকা, রেজিস ৩৫০ টাকা, জাহেদি ২৪০ টাকা, খালাস ৩৬০ টাকা, ব্লাকবড়ি ৬৫০ টাকা ও ইরাকি ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
  • পাইকারি বাজারে ইরাকি খেজুর প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
  • দুবাইয়ের ইরাকি জাহেদি জাতের খেজুর ১০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ টাকা।
  • দাবাস ও লুলু জাতের খেজুর ১০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ টাকা।

বাজারে অস্থিরতা:

  • অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে খেজুরের বাজারে অস্থিরতা বেড়েই চলেছে।
  • ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বৃদ্ধি এবং অন্যান্য জটিলতার কারণে এ বছর খেজুরের দাম বেড়েছে বলে দাবি করছেন আমদানিকারক ও অন্যান্য ব্যবসায়ীরা।

জাগো/আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ