বাংলাদেশ-ভারত রেল করিডোর: নতুন চুক্তির ফলে কী কী সুযোগ উন্মোচিত হচ্ছে?

আরো পড়ুন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন রেল ট্রানজিট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে যা ট্রান্স এশিয়ান নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের রেলপথকে সংযুক্ত করবে। এই চুক্তির মাধ্যমে ভারত বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তার “সেভেন সিস্টার্স” রাজ্যগুলিতে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন করতে পারবে।

বাংলাদেশ নেপাল ও ভুটানে যাওয়ার জন্য ভারতীয় রেলপথ ব্যবহার করতে পারবে। দীর্ঘ ৭৭ বছর পর রাজশাহী ও কলকাতার মধ্যে পুনরায় ট্রেন চালু হবে। ভারত বাংলাদেশের ভেতরে ১২টি রুটে নতুন রেলপথ নির্মাণ করবে। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ নেপাল ও ভুটানের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে পারবে এবং ট্রানজিট ফি থেকে রাজস্ব আয় করতে পারবে।

ট্রান্স এশিয়ান নেটওয়ার্ক: এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের রেলপথ ট্রান্স এশিয়ান নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হবে। এর ফলে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং বাণিজ্য ও পর্যটন বৃদ্ধি পাবে। “সেভেন সিস্টার্স”-এ যাতায়াত: ভারত বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তার “সেভেন সিস্টার্স” রাজ্যগুলিতে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। এর ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাথে বাংলাদেশের সংযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে।

নেপাল ও ভুটানে যাতায়াত: বাংলাদেশ নেপাল ও ভুটানে যাওয়ার জন্য ভারতীয় রেলপথ ব্যবহার করতে পারবে। এর ফলে বাংলাদেশ এই দুই দেশের সাথে তার ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে পারবে। রাজশাহী-কলকাতা ট্রেন: দীর্ঘ ৭৭ বছর পর রাজশাহী ও কলকাতার মধ্যে পুনরায় ট্রেন চালু হবে। এর ফলে দুই দেশের জনগণের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে। ভারত বাংলাদেশের ভেতরে ১২টি রুটে নতুন রেলপথ নির্মাণ করবে। এর ফলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ