প্রধানমন্ত্রী’র কাছ থেকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার গ্রহণ করলেন ১৬ লেখক

আরো পড়ুন

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন:

  • কবিতায়: শামীম আজাদ
  • কথাসাহিত্যে: নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর ও সালমা বাণী
  • প্রবন্ধ-গবেষণায়: জুলফিকার মতিন
  • অনুবাদে: সালেহা চৌধুরী
  • নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: মৃত্তিকা চাকমা ও মাসুদ পথিক
  • শিশুসাহিত্যে: তপংকর চক্রবর্তী
  • মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায়: আফরোজা পারভীন ও আসাদুজ্জামান আসাদ
  • বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায়: সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল ও মো. মজিবুর রহমান
  • বিজ্ঞান-কল্পবিজ্ঞান-পরিবেশবিজ্ঞানে: ইনাম আল হক
  • আত্মজীবনী-স্মৃতিকথা-ভ্রমণকাহিনী-মুক্তগদ্যে: ইসহাক খান
  • ফোকলোরে: তপন বাগচী ও সুমনকুমার দাশ

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে কবি শামীম আজাদ বলেন, “এই পুরস্কার আমার জন্য এক সম্মান। আমি আমার লেখার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধিতে অবদান রাখতে চাই।”

কথাসাহিত্যিক নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, “এই পুরস্কার আমার জন্য এক অনুপ্রেরণা। আমি আমার লেখা দিয়ে পাঠকদের কাছে পৌঁছাতে চাই।”

প্রবন্ধ-গবেষক জুলফিকার মতিন বলেন, “এই পুরস্কার আমার গবেষণার স্বীকৃতি। আমি আমার গবেষণার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে চাই।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলা সাহিত্য আমাদের জাতিসত্তার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলা একাডেমি সাহিত্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেশের লেখকদের উৎসাহিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিন বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগৃহীত রচনা: দ্বিতীয় খণ্ড’ সহ কয়েকটি বইয়ের মোড়কও উন্মোচন করেন।

এবারের বইমেলার প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘পড়ো বই, গড়ো দেশ: বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।’ এবার বইমেলায় ৬৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯৩৭টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি মাঠে ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে ১৭৩টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৬৪টি স্টল বরাদ্দ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া এ বছর বইমেলায় মোট ৩৭টি প্যাভিলিয়নও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মাসব্যাপী সেমিনারের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের জন্য ছবি আঁকা, সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা থাকবে।

এবারের গ্রন্থমেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশ করছে নতুন ও পুনর্মুদ্রিত ১০০ বই। বইমেলায় অংশগ্রহণকারী সব প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে। বাংলা একাডেমির ৩টি প্যাভিলিয়ন এবং শিশুকিশোর উপযোগী প্রকাশনার বিপণনের জন্য ১টি স্টল থাকবে।

বইমেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। নিরাপত্তার জন্য মেলায় তিন শতাধিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ব্যবস্থা রয়েছে।

জাগো/আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ