ঘূর্ণিঝড় দেখতে সৈকতে ভিড় জমিয়েছেন শত শত পর্যটক

আরো পড়ুন

বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত গভীর নিম্নচাপ আজ শনিবার রাত ৯টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করেছে। এরই মধ্যে উত্তাল সমুদ্র দেখতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে শত শত পর্যটক ও দর্শনার্থী ভিড় জমিয়েছেন।

শনিবার দুপুরে, আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে। এর ফলে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঢেউ এবং বাতাসের তীব্রতা বেড়েছে।

বিপদ সতর্ক করতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। কিন্তু নির্দেশনা অমান্য করে অনেক পর্যটক সমুদ্রে স্নান করতে নেমেছেন।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা এবং লাবণী পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, অনেক স্থানীয়রা ঘুর্ণিঝড় আসলে সমুদ্র সৈকতের পরিস্থিতি দেখতে এসেছেন। অনেক পর্যটক পাড়ে দাঁড়িয়ে সমুদ্র পরিস্থিতি দেখছেন।

গাজীপুর থেকে আসা পর্যটক কামরুল ইসলাম বলেন, অনেক দূর থেকে এসেছি। গোসলে তো নামতেই হবে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সমুদ্র সৈকতে আসলাম। ঘূর্ণিঝড় আসলেও আমরা টাকা খরচ করে সেছি আনন্দ মিস করা যাবে না।
পর্যটক মোহাম্মদ ইয়াছিন বলেন, গোসল করতে এসে শুন ঘূর্ণিঝড় আসছে। তাই আর সমুদ্রে নামছি না। সকলকে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। নির্দেশনা না মানলে আমরাই বিপদে পড়ব। এজন্য সমুদ্রে না নেমে দূর থেকেই উপভোগ করছি।
পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে লাইফগার্ড কর্মীদের। সিনিয়র লাইফগার্ড জয়নাল আবেদীন ভুট্টো বলেন, অনেক পর্যটককে আমরা বাধা দিলেও মানছে না। আমরাতো পর্যটকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে পারি না। নিরাপদ লাল-হলুদ পতাকার বদলে বিপদসংকেত বুঝাতে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

সুতরাং, পর্যটকদের সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

জাগো/আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ